কৃষি টেকনোলজি

বাংলাদেশের বনাঞ্চলের বিস্তৃত প্রথম পরিষদ বা বনায়ন কিভাবে বনায়নের ভূমিকা অপরিসীম হয়ে থাকে।

 বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বনভূমিতে গাছ লাগানো পরিচর্যা ও সংরক্ষণ বলা হয় বনায়নের ফলে বনভূমি হতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় বসতবাড়ি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সড়ক ও পাহাড়ি অঞ্চল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের বোগানিক ভাবে পরিকল্পিত উপায়ে সৃজিত বলা হয় সামাজিক বনায়ন।

বাসা উপযোগী পরিবেশ তৈরি সংরক্ষণের ভূমিকা অপরিসীম কোন দেশের বড় বড় বৃক্ষরাজি কথাগুলো বলা হয় আমি কখনো প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট গড়ে ওঠে আবার কখনো মানুষ তার প্রয়োজন বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সৃষ্টি করে থাকে।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় একটি দেশের মোট আয়তন তুলনা বনভূমির পরিমাণ শতকরা 25 ভাগ অপরিহার্য কিন্তু আমাদের দেশের পরিমাণ প্রয়োজন তুলনায় খুবই কম সরকারি হিসাবে বর্তমানে।আ

দেশে বনভূমির পরিমাণ মাত্র 17 ভাগ ইউনেস্কো বর্তমানে আমাদের দেশে বনভূমির পরিমাণ 10 ভাগ অধ্যায়ে আমরা আমাদের দেশের বনাঞ্চল বিস্তারিত ধরন ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানবএছাড়া বন সংরক্ষণ বিয়ে দিব নার্সারি বন নার্সারি বীজ সংগ্রহ এবং উপকূলীয় বন সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

প্রথম পরিচ্ছেদ বাংলাদেশ বনাম সালের বিস্তৃত।

বোন একটি দেশের মূল্যবান সম্পদ আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হিসাব মতে বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন 22.5 লক্ষ হেক্টর বনভূমি শতকরা 70 ভাগ এবং সারাদেশে সমান নয়।

অধিকাংশ বনভূমি দেশের পূর্ব দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত দেশের উত্তর উত্তর পশ্চিমবঙ্গ বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।

অবস্থান ও বিস্তৃতি ভেদে বাংলাদেশ বনাঞ্চলের ধরন।

বনভূমির অবস্থান ও বিস্মৃত অনুসারে বাংলাদেশের বনাঞ্চল কে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে ভাগ গুলো হল:

১। পাহাড়ি বন ২। সমতল ভূমির বন ৩। ম্যানগ্রোভ বন ৪। সামাজিক বন। ৫। কৃষি বন।

বনাঞ্চলের ধরন বৈশিষ্ট্য পাহাড়ি বন।

আমাদের দেশের পূর্বাঞ্চলে দক্ষিণাঞ্চলে পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ে অবস্থিত।বাংলাদেশ ভবন এলাকায় অর্ধেকের বেশি এলাকাজুড়ে রয়েছে পাহাড়ি বনকক্সবাজারে রাঙ্গামাটি বান্দরবান সিলেট হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।

বাংলাদেশেরপ্রধান প্রধান পাহাড়ি হচ্ছে গর্জন চ্রমাজারুল সেগুন বর্ণনা আম প্রভৃতি পাহাড় এলাকায় নানা ধরনের বাসো জন্মে থাকে এসব বাসের মধ্যে বরাকুলি উড়াল নালা প্রভৃতি পাহাড়ি অঞ্চলের হাতি বানর ভালো বনমুরগী শিয়াল নেকড়ে কাঠবিড়ালি প্রভৃতি বন্য প্রাণী বাস করে বিভিন্ন রকমের পাখি ও কীটপতঙ্গ পাহাড়ি অঞ্চলে দেখা যায় ।বড়

বড় গাছপালা ছাড়াও অসংখ্য প্রজাতির উদ্ভিদ জন্মে থাকে দেশের আবহাওয়া জলবায়ু পরিবেশের উপর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে এই বোনের পরিমাণ 13.16 হেক্টর।

https://www.incometips.xyz/feeds/posts/default

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button